নিরামিষ আলুর দম | Niramish Aloo Dum

Niramish Aloo Dum :নমস্কার বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন আপনাদের সবাইকে আমার patukrecipe.com  এ স্বাগত জানাই। আজ আমি নতুন একটা  Recipe নিয়ে এলাম।  খুব সহজ পদ্ধতিতে খুব কম সময়ে ঘরে এই  Recipe বানানো যায়  সেটা আমি আপনাদেরকে বলবো | আজকে আপনাদের জন্য থাকলো সুস্বাদু Niramish Aloo Dum |

Niramish Aloo Dum

Niramish Aloo Dum বানাতে কি কি উপকরণ লাগে?

উপকরণ

  • আলু – ৪ টে।
  • টমেটো – ১ টা।
  • লঙ্কা – ৪টে।
  • আদা বাটা – সামান্য।
  • লঙ্কা গুড়ো ও ভাজা গুড়ো মশলা-জিরে – আধা চামচ।
  • ধনে ও গোলমরিচ একসঙ্গে ভেজে গুড়ো করা – আধা চামচ।
  • ধনেপাতা।

Also ReadPalak Paneer Recipe in Bengali

Niramish Aloo Dum বানানোর বিধি কি কি?

ধাপ ১

নিরামিষ আলুর দম রান্না করতে প্রথমে গোটা আলু ৪ টুকরো করে কেটে নিয়ে সেদ্ব করে নিতে হবে। এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে আলু ভেজে তুলে নিন।

ধাপ ২

এবারে কড়াইতে আর একটু তেল দিয়ে পাচ ফোড়ন, এলাচ, দারচিনি ও লবঙ্গ, তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে সুগন্ধ বের হলে আদা বাটা, গোটা লঙ্কা দিয়ে একটু ভেজে নিয়ে টমেটো কুচি দিয়ে নাড়াচাড়া করুন।

ধাপ ৩

টমেটো ভালো করে মিশে গেলে লঙ্কা গুড়ো, হলুদ দিয়ে এবার ভাজা আলু দিয়ে ভালো করে কষিয়ে পরিমাণ মত নুন, চিনি দিয়ে অল্প জল দিয়ে দিন।আলু সেদ্ধ বলে জল কম লাগবে। ধনেপাতা কুচি দিয়ে দিন।

ধাপ ৪

এবার একটু ঢাকা দিয়ে রাখুন। ভালো করে ফুটে যখন প্রায় ঘন হয়ে আসবে, ভাজা গুড়ো মশলা ছড়িয়ে আর একটু ফুটিয়ে নামিয়ে অল্প সময় ঢাকা দিয়ে রাখুন। বেস এবারে তৈরি হয়ে গেল নিরামিশ আলুর দম , এই আলুর দম শুখনো মাখা মাখা থাকবে।

আমার এই  Niramish Aloo Dum ভালো লাগে তবে আপনার পরিবার এবং আপনার বন্ধু বান্ধবী দের সাথে নিশ্চয় শেয়ার করুন।

Also Read: How to Make a Pie Chart in Google Sheets: A Step-by-Step Guide

আলুর উপকারিতা:
  • ১. আলুর রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
  • ২. দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে আলু।
  • ৩. আলু হজমে সাহায্য করে।
  • ৪. আলু ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
  • ৫. আলু উচ্চ রক্তচাপ কমায়।
  • ৬. আলু ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
  • ৭. আলু পেটে জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি দেয়।
  • ৮. আলু ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

আলুর অপকারিতা:প্রতিদিন বেশি পরিমাণে আলু শরীরের রক্তের শর্করা এবং ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বেড়ে যায়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের আলু খাওয়া কমিয়ে দেওয়া উচিত। আলু কুচকে গেলে বা সবুজ থাকলে, অঙ্কুরিত বা সবুজ বিবর্ণ আলুর মধ্যে আছে সোলানিন নামক একটি বিষাক্ত যৌগ।

আলু দিয়ে কি কি রেসিপি বানানো যায় :

আলু পোস্ত, আলু ভাজা, আলু রসা, আলু  রসা, আলুর pancake, আলু চপ, আলুর পরোটা,আলু দম, আচারি আলু, দই আলু, আলুর খিচুড়ি, আলু ডিমের মুরগি, রসালো আলু,  আলু পরোটা, দম আলু, আলু চিপস, আলু ফ্রাই, আলু চাট, আলু ভুজিয়া, আলুর পুডিং  , আলুর বরফি ইত্যাদি ইত্যাদি।

আলু চাষের পদ্ধতি :

উপরি সার প্রয়োগের পর আলুর সারিতে বা গাছের গোড়ায় উঁচু করে (প্রায় ২০ সেন্টিমিটার) মাটি তুলে দিতে হয়। ভেলির গোড়া চওড়া রাখার জন্য ১৫ সেন্টিমিটার প্রস্খের ছোট কোদাল ব্যবহার করতে হয়। মাটি তোলার সময় লক্ষ্য রাখতে হয় যেন কোদালের সাথে প্রয়োগকৃত সার উঠে না আসে। আলু চাষে সেচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আলু চাষের জন্য মাটির ধরন : দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ মাটি আলুর জন্য সব চাইতে উপযোগী৷ এটেল-দোআঁশ মাটিতেও আলুর চাষ করা যায়, তবে এই রকম মাটিতে আলু খুব একটা ভালো হয় না৷ আলুর মাটি সুনিষ্কাশনযুক্ত, গভীর ও কিছুটা অম্লাত্মক হওয়া চাই৷ PH ৫.৫-৬০ এর মধ্য হওয়া বাঞ্ছনীয়, এতে আলুর জন্য ক্ষতিকর রোগ স্কেভিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না৷

সারিতে দুই পদ্ধতিতে বীজ বপন করা যায়:

  • প্রথম পদ্ধতিতে প্রতি সারি বরাবর ৫-৭ সেন্টিমিটার মাটি সরিয়ে নিয়ে নালা প্রস্তুত করা হয়, তারপর সেই নালাতে নির্দিষ্ট দূরত্বে বীজ বপন করে মাটি দ্বারা বীজ ঢেকে দেওয়া হয়৷
  • দ্বিতীয় পদ্ধতিতে সারির মাটি না খুড়ে অর্থাৎ নালা না করে সারির দাগ বরাবর বীজ নির্দিষ্ট ব্যবধানে বপন করার পর দুই সারির মধ্যবর্তী জায়গা হতে মাটি টেনে উঁচু করে বীজ ঢেকে দেওয়া হয়৷

শেষোক্ত পদ্ধতিটিই বিজ্ঞানসম্মত, কেননা এতে জমির রস অধিক দিন বজায় থাকে এবং সারির মাটি আলগা থাকে বলে আলুর কন্দ বৃদ্ধিতে কোনো বাধার সৃষ্টি হয় না৷ অন্য দিকে প্রথমোক্ত পদ্ধতিতে নালার মাটি চাপ খাওয়া থাকে বলে স্কন্দের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়৷ ফলে কন্দ অর্থাৎ আলুর আকার ছোট থেকে যায়৷

ক্ষতির ধরন :

  • কাটুই পোকার কীড়া বেশ শক্তিশালী, ৪০-৫০ মিলিমিটার লম্বা হয়৷
  • পোকার উপর পিঠ কালচে বাদামি বর্ণের, পার্শ্বদেশ কালো রেখাযুক্ত এবং বর্ণ ধূসর সবুজ৷ শরীর নরম ও তৈলাক্ত৷
  • কাটুই পোকার কীড়া চারা গাছ কেটে দেয় এবং আলুতে ছিদ্র করে আলু ফসলের ক্ষতি করে থাকে৷

পোকার কীড়া দিনের বেলা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকে৷ আলুর কাটা গাছ অনেক সময় কাটা গোঁড়ার পাশেই পড়ে থাকতে দেখা যায়৷

FAQ on Niramish Aloo Dum

Q1. Niramish aloo dum বানাতে কি কি উপকরণ লাগে?

Ans.আলু , টমেটো , লঙ্কা , আদা বাটা , লঙ্কা গুড়ো ,জিরে , ধনে ও গোলমরিচ , ধনেপাতাধনেপাতা |

Share To:

Leave a Comment